নগদ ক্যাশ ও ব্যাংক বীমায় সঞ্চিত সম্পদের যাকাত

যকাতযোগ্য সম্পদ তথা কোন্ কোন্ সম্পদের যাকাত আদায় করতে হয় কুরআন-সুন্নাহ থেকে এসবের মৌলিক পরিচয় পাওয়া যায়। আর এসব নস বিশ্লেষন করে ফকীহগণ যাকাতযোগ্য সম্পদের বিস্তারিত বিবরণ পেশ করেছেন। এসব সম্পদের মধ্যে অন্যতম হল নগদ অর্থ ও ব্যাংক বীমায় সঞ্চিত অর্থ। এ অধ্যায়ে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়াস পেয়েছে।
নগদ অর্থ: নগদ অর্থের প্রকৃতি হচ্ছে প্রবাহমান হওয়া তথা চলাচল ও আবর্তিত হওয়া। প্রাচীন কালে মানুষের মাঝে পণ্য বিনিময় প্রথা বিরাজমান ছিল। পরবর্তীতে পণ্য বিনিময় প্রথার পরিবর্তে মানুষ নগদ অর্থের ব্যবহার করতে শুরু করল। আর এর ভিত্তিতেই দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ করা হত।
রাসূল ﷺ এর যুগে দুই ধরনের নগদ মুদ্রা ছিল- স্বর্ণ নির্মিত ’দীনার’ আর রৌপ্য নির্মিত ’দিরহাম’ । কালের পরিক্রমায় তা বিভিন্ন রূপে আবর্তিত হয়েছে । যেমন-কাগুজে মুদ্রা।
নগদ অর্থের যাকাত: নগদ অর্থের যাকাত ফরজ হওয়ার কথা কুরআন-হাদীস ও ইজমা দ¦ারা প্রমাণিত। আল্লাহ তা’লা বলছেন, واللذين يكنزون الذهب و الفضة و لا ينفقونها في سبيل الله فبشرهم بعذاب أليم الخ অর্থাৎ- যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য পুঞ্জিতভূত করে রাখবে এবং আল্লাহর পথে খরচ করবে না, তাদের আপনি তীব্র উৎপীড়ক আযাবের সুসংবাদ দিন। নগদ অর্থ বলতে বুঝায় নিজের মালিাকানায় থাকা নগদ অর্থ চাই তা নিজের থাকুক বা অন্য কারো কাছে থাকুক। মোট কথা, মালিকানাধীন সমুদয় সম্পদের উপর যাকাত ওয়াজিব হবে। তবে অন্যের কাছে পাওনা টাকা কব্জা করতে যদি বিলম্ব হয় তাহলে তাৎক্ষণিক আদায় করা ওয়াজিব নয়; বরং হস্তগত হওয়ার পর তার বিগত যাকাত আদায় করে দিতে হবে। কারণ যাকাত ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হল সম্পদের উপর পূর্ণ মালিকানা থাকা (الملك التام) । অর্থাৎ একই সাথে সম্পদের মালিক থাকা এবং সম্পদটি কব্জায় থাকা।
এরূপ নগদ অর্থ যদি কারো কাছে নিসাব পরিমাণ তথা স্বর্ণ বা রৌপ্যের নিসাবের সমপরিমাণ থাকে এবং এর উপর পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হয় তাহলে এতে যাকাত ওয়াজিব হবে।
নগদ অর্থের যাকাতের পরিমাণ: রাসূল ﷺ এর যুগে নগদ অর্থ স¦র্ণ ও রৌপ্য নির্মিত মুদ্রা যথাক্রমে দীনার ও দিরহাম ছিল । আর এগুলোর যাকাতের পরিমাণ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। কালের আবর্তনে এসব মুদ্রায় ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয় তামার মুদ্রা, কাগজের নোট, ডিজিটাল কারেন্সি ইত্যাদি। যেহেতু এগুলোর মাধ্যমেও দীনার ও দিরহামের মত উপকার নেয়া যায় তাই এগুলোর যাকাত হবে স্বর্ণ ও রৌপ্যের নিসাবের মতই। অর্থাৎ এগুলোর মূল্য যদি স্বর্ণ-রৌপ্যের নিসাবের মূল্য পরিমাণ হয় তাহলে ২.৫% হারে যাকাত দিতে হবে।
বর্তমানে স্বর্ণ ও রৌপ্যের নিসাবের মূল্যে বিরাট পার্থক্য থাকায় নগদ অর্থের ক্ষেত্রে কোনটির নিসাব ধরা হবে এ নিয়ে মতভেদ আছে। কেউ বলেন স্বর্ণের নিসাব ধর্তব্য হবে। কেউ বলেন রৌপ্যের নিসাব ধর্তব্য হবে। তবে গ্রহণযোগ্য মত হল যেটার নিসাব ধরলে গরীবের উপকার হবে সেটাই ধর্তব্য হবে। আর বর্তমানে তা হল রৌপ্যের নিসাব। সুতারাং সাড়ে বায়ান্ন তোলা রৌপ্যের মূল্যের সমপরিমাণ হলেই যাকাত দিতে হবে।
বৈদেশিক মুদ্রার যাকাত: বৈদেশিক মুদ্রাও (Foreign Currency) নগদ অর্থের অন্তর্ভুক্ত। তাই এর উপরও যাকাত ওয়াজিব হবে। বছরান্তে বৈদেশিক মুদ্রা নিসাব পরিমাণ উদ্বৃত থাকলে বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী হিসেব করে যাকাত দিতে হবে। অথবা ইচ্ছা করলে বৈদেশিক মুদ্রায়ও যাকাত দিতে পারবে।৯
ব্যাংক হিসেবে সঞ্চিত অর্থের যাকাত:
ব্যাংকের যে কোন একাউন্টে গচ্ছিত রাখা অর্থ হোক সেটা সেভিংস একাউন্টে, কারেন্ট একাউন্টে, ফিক্সড ডিপোজিট, কিংবা দীর্ঘ মেয়াদী ডিপোজিট সকল প্রকার একাউন্ট হোল্ডার কে নিসাব পরিমাণ মালের মালিক হলেই যাকাত দিতে হবে। বছরান্তে যদি ইচ্ছা মাফিক অর্থ উত্তোলন সম্ভব হয় তাহলে তাৎক্ষণিক যাকাত আদায় করা ওয়াজিব। আর যদি তাৎক্ষণিক অর্থ উত্তোলন সম্ভব না হয় তাহলে তা হস্তগত হওয়ার পর পূর্ববর্তী বছরগুলোর যাকাত আদায় করে দিতে হবে।১০
অন্যের নামে ব্যাংক হিসেবে সঞ্চিত অর্থের যাকাত:
যদি কেউ অন্যের নামে ব্যাংক একাউন্ট খোলে তাতে অর্থ সঞ্চয় করে এক্ষেত্রে যাকাত নির্ধারণের দুটি সুরত-
১. যার নামে একাউন্ট খোলা হয়েছে তাকে যদি উক্ত অর্থের পূর্ণ মালিক বানিয়ে দেয়া হয় তাহলে একাউন্ট হোল্ডারের উপর যাকাত ওয়াজিব হবে। যিনি জমা করেন তার উপর ওয়াজিব হবে না। কারণ অর্থ জমা দেয়ার সাথে সাথে তার মালিকানা চলে যায়।১১ এক্ষেত্রে একাউন্ট হোল্ডার যদি নাবালেগ হয় তাহলে তার উপরও যাকাত ওয়াজিব হবে না।১২
২. আর যদি একাউন্ট খোলার দ্বার পূর্ণ মালিক বানিয়ে দেয়া না হয় বরং শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় খরচ করার অধিকার দেয়া হয় কিংবা নিজের মালিকানা অবশিষ্ট রেখে অন্যের নাম ব্যবহার করা হয় শুধুমাত্র। এ ক্ষেত্রে নাম যার ই হোক অর্থের মালিক যিনি তিনিই যাকাত প্রদান করবেন।১৩
ভবিষ্যতের কোন কাজের জন্য জমানো অর্থের যাকাত:
ভবিষ্যতের কোন কাজের উদ্দেশ্যে কেউ অর্থ জমা করলে সেই অর্থ নিজের কাছে থাকুক বা অন্যের কাছে থাকুক অথবা ব্যাংক হিসেবে থাকুক যেভাবেই থাকুক না কেন তাহলে উক্ত অর্থ ঐ উদ্দেশ্যে খরচ করার পূর্বেই যদি নিসাব পরিমাণ হয়ে যায় এবং তাতে এক বছর অতিবাহিত হয় তবে এই অর্থের যাকাত দিতে হবে।১৪ তাই কেউ যদি হজ্বের নিয়তে টাকা জমায় বা বিবাহের মোহরের জন্য টাকা জমায়, কিংবা ঘর-বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে টাকা জমায় তাহলে উক্ত উদ্দেশ্যে খরচ করার আগেই যদি জমানো টাকা নিসাব পরিমাণ হয় এবং তাতে এক বছর অতিক্রান্ত হয় তাহলে তার উপর যাকাত ওয়াজিব হবে।১৫ বছর গণনা করতে হবে চান্দ্রমাস অনুযায়ী, সৌরসন অনুযায়ী নয়।১৬
প্রভিডেন্ট ফান্ডের যাকাতের বিধান:
একজন চাকুরিজীবীর মাসিক বেতন থেকে বাধ্যতামূলক কিছু টাকা কর্তন করে রাখা হয় এবং কিছু টাকা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এর সাথে আরো যোগ করে দেয়া হয়। এভাবে প্রতি মাসে চলতে থাকে। অত:পর চাকুরি শেষে পুরো টাকা একসাথে দেয়া হয় । এ টাকাকে প্রভিডেন্ট ফান্ড বলে। এরূপ বাধ্যতামূলক কর্তনকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডের যাকাত ওয়াজিব হবে না।১৭ তবে উক্ত টাকা হস্তগত হওয়ার পর থেকে এক বছর অতিক্রম করলে তার যাকাত দিতে হবে।১৮ কিন্তু ঐচ্ছিক কর্তনকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ডের যাকাত ওয়াজিব হবে। এক্ষেত্রে এই ফান্ডের টাকা তাৎক্ষণিক উত্তোলন সম্ভব না হলে হস্তগত হওয়ার পর তার বিগত বছরে যাকাত আদায় করতে হবে।১৯
বন্ড ও প্রাইজবন্ডের যাকাত:
বন্ড বা প্রাইজবন্ড হল কোন ব্যাংক বা কোম্পানি অথবা সরকার কর্তৃক ঋণগ্রস্ততার সনদ পত্র। অর্থাৎ- সরকার বা বোন কোম্পানি একটি সনদ ইস্যু করে এর গায়ে উল্লেখিত অর্থ জনগনের কাছ থেকে ঋণ সংগ্রহ করে। এবং এর বিপরীতে নির্দিষ্ট সময়ের পর অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করে থাকে। যা সুদের আওতাভূক্ত । তাই এই জাতীয় বন্ডের লেনদেন হারাম।২০ যেহেতু এগুলো ঋণপত্র তাই এগুলোর যাকাতও অন্যান্য ঋণের মত।এগুলোর মূল্য যদি নিসাব পরিমাণ হয় এবং এক বছর অতিক্রান্ত হয় তাহলে তাতে যাকাত ওয়াজিব হবে। কেননা এধরনের বন্ডের মালিক যখন ইচ্ছা তখর তা ক্যাশ করে নিতে পারে। কিন্তু যদি ক্যাশ করতে সক্ষম না হয় তাহলে যখন সক্ষম হবে তখন তার বকেয়া যাকাত পরিশোধ করতে হবে।২১

বীমা পলিসির যাকাত:
বীমা শব্দটি উর্দু থেকে বাংলায় এসেছে। এর ইংরেজী প্রতিশব্দ হচ্ছে  । এর অর্থ হল নিশ্চয়তা প্রদান করা। আরবী হল عقد التأمين ।
পরিভাষায় বীমা বা ইন্সুরেন্স বলা হয়- Insurance is a financial agreement that redistributes the costs of unexpected losses অর্থাৎ-বীমা এমন একটি আর্থিক ব্যবস্থা যা অপ্রত্যাশিত ক্ষতির ব্যায় পুন:বন্টন করে।২২ প্রচলিত সুদী বীমা কোম্পানীগুলো সুদী কারবারের কারণে তার লেনদেন হারাম। আর হারাম সম্পদের উপর যাকাত নেই।২৩ তবে বীমায় প্রদত্ত প্রিমিয়ামের মূল্য যদি নিসাব পরিমাণ হয় এবং তাতে এক বছর অতিক্রম করে তাহলে এতে যাকাত ওয়াজিব হবে।২৪
যাকাত না দেয়ার জন্য হিলা করার বিধান:
যাকতের ক্ষেত্রে হিলা হল নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যাকাত থেকে বাঁচার জন্য এক বছর পূর্ণ হওয়ার ঠিক পূর্ব মুহুর্তে এমন পরিমাণ সম্পদ অন্য কাউকে দান করে দেয়া যাতে তার উপর যাকাত ওয়াজিব না হয়। অত:পর বছর অতিবাহিত হওয়ার পর উক্ত সম্পদ ফিরিয়ে নিয়ে আসা। এরূপ কেউ হিলা করলে তার উপর যাকাত ওয়াজিব হবে না। কেননা এতে পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হয় নি। আর যাকাত ওয়াজিব হওয়ার শর্ত হল পূর্ণ এক বছর অতিবাহিত হওয়া।২৫ তবে কেউ হঠকারিতা বা কৃপণতা বশত এরূপ করলে তা মাকরুহ হবে।২৬ إن الله يحب المتقين
পরিশেষে বলা যায় যে, যাকাত আল্লাহ তা’য়ালা কর্তৃক ফরজ বিধান। যা অমান্য করার কথা কোন মুুমিন কল্পনা করতে পারে না। এই ফরজ বিধান পালন করার জন্য সকলকে যাকাত বিষয়ক ইলম অর্জন করাও ফরজ।


১.সূরা তাওবা, আয়াত নং-৩৪
২. আল-মাউসুআতুল ফিকহিয়া আল-কুয়াইতিয়া, মাকতাবা শামেলা, খ. ২৩, পৃ. ২৩৮
৩. الملك التام هو ما اجتمع فيه الملك و اليد আল-মাউসুআতুল ফিকহিয়া আল-কুয়াইতিয়া, মাকতাবা শামেলা, খ. ২৩, পৃ. ২৩৭ ; আল-জাওহারাতুন নাইয়ারা, মাকতাবা শামেলা, খ. ১ পৃ. ১৪৪.
৪. মুসান্নাফে আব্দুর রায্যাক, হাদীস নং- ৭০৩২
৫.দেখুন স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাত অধ্যায়
৬.মুফতী মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী, ফতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, খ. ৯ , পৃ.৩৮৫
৭.ইবনু আবেদীন শামী, দররুল মুখতার,মাকতাবা শামেলা, খ.২ পৃ. ৩০৩; তোহফাতুল ফুকাহা, খ. ১, পৃ. ২৬৭; বাহরুর রায়েক, খ.২, পৃ.২৪৭; বাদায়ে সানায়ে, খ. ২, পৃ. ২০।
৮.দেখুন স্বর্ণ ও রৌপ্যের যাকাত অধ্যায়
৯.বাংলাদেশ ইসলামিক ল’ রিসার্স এন্ড লিগ্যাল এইড সেন্টার, যাকাতের বিধান, পৃ. ৫০
১০.মুফতী তাকী উসমানী, ফাতওয়ায়ে উসমানী, মাকতাবাতু মা’রেফুল কোরআন, করাচী, খ. ২, পৃ. ৭১; ইবনে আবেদীন শামী, দুররুল মুখতার,মাকতাবা শামেলা, খ. ২, পৃ. ৩০৬; মুফতী মাহমূদ হাসবন গাঙ্গুহী, ফাতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, দারুল ইফতা, জামেয়া ফারুকীয়া, করাচী, খ. ৯, পৃ. ৩৩৪.
১১.মুফতী মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী, ফতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, খ.৯ পৃ. ৩৩৫
১২.ইবনু আবেদীন শামী, দুররুল মুখতার, মাকতাবা শামেলা, খ. ২, পৃ. ২৫৮
১৩.মুফতী মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী, ফতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, খ.৯ পৃ. ৩৩৬
১৪.ইবনু আবেদীন শামী, দুররুল মুখতার, মাকতাবা শামেলা, খ. ২, পৃ. ২৬২; শায়খুল হাদীস আব্দুল হক সাহেব, ফাতওয়ায়ে হাক্কানীয়া, খ.৩ পৃ. ৪৯
১৫.মুফতী মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী, ফতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, খ.৯ পৃ. ৩৩৯
১৬.ইবনু আবেদীন শামী, দুররুল মুখতার, মাকতাবা শামেলা, খ. ২, পৃ. ২৫৯; মুফতী তাকী উসমানী, ফতওয়ায়ে উসমানী, মাকতাবাতু মা’রেফুল কুরঅন, করাচী, খ. ২ পৃ. ৬৯
১৭.মুফতী তাকী উসমানী, ফতওয়ায়ে উসমানী, মাকতাবাতু মা’রেফুল কুরঅন, করাচী, খ. ২ পৃ. ৫০
১৮.প্রগুক্ত
১৯.মুফতী তাকী উসমানী, ফাতওয়ায়ে উসমানী, মাকতাবাতু মা’রেফুল কোরআন, করাচী, খ. ২, পৃ. ৭১; ইবনে আবেদীন শামী, দুররুল মুখতার,মাকতাবা শামেলা, খ. ২, পৃ. ৩০৬; মুফতী মাহমূদ হাসবন গাঙ্গুহী, ফাতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, দারুল ইফতা, জামেয়া ফারুকীয়া, করাচী, খ. ৯, পৃ. ৩৩৪
২০.মুফতী তাকী উসমানী, ফতওয়ায়ে উসমানী, মাকতাবাতু মা’রেফুল কুরঅন, করাচী, খ. ২ পৃ.
২১.মুফতী মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহী, ফতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, খ.৯ পৃ. ৩৩৪; ড. ইউসুফ আল-কারযাভী, ইসলামের যাকাত বিধান, মাওলানা আব্দুর রহিম অনূদিত , খায়রুন প্রকাশনী, খ.১, পৃ. ৪৫৯
২২.গধৎশ উড়ৎভসধহ, ওহঃৎড়ফঁপঃরড়হ ড়ভ ওহংঁৎধহপব ২হফ ঊফরঃরড়হ, চধমব.৫, সুত্র: মো. ইসমাঈল কাজী, ব্যাংকিং ও বীমা, ভেনাস পাবলিকেশন
২৩.মুফতী মাহমূদ হাসবন গাঙ্গুহী, ফাতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, দারুল ইফতা, জামেয়া ফারুকীয়া, করাচী, খ. ৯, পৃ. ৩২৪-৩২৫; দুররুল মুখতার, খ.২, পৃ. ২৯১, বাহরুর রায়েক, খ. ২ , পৃ. ২২১
২৪.মুফতী তাকী উসমানী, ফতওয়ায়ে উসমানী, মাকতাবাতু মা’রেফুল কুরঅন, করাচী, খ. ২ পৃ.৭১
২৫.বাহরুর রায়েক, মাকতাবা শামেলা, খ.২ , পৃ. ২৩৬; হাশিয়াতু তাহতাভী, মাকতাবা শামেলা, খ. ১, পৃ. ৭১৮
২৬.প্রাগুক্ত; ফাতওয়ায়ে মাহমূদীয়া, দারুল ইফতা, জামেয়া ফারুকীয়া, করাচী, খ. ৯, পৃ. ৩৪০-৩৪১

Please follow and like us:

One thought on “নগদ ক্যাশ ও ব্যাংক বীমায় সঞ্চিত সম্পদের যাকাত

  • December 15, 2018 at 3:51 pm
    Permalink

    এই পোস্ট টি আমার জন্য আমরা জন্য অনেক উপকারী ছিল। আমি এই ধরণের আরো পোস্ট আশা করি। এবং এই ওয়েবসাইটের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করি। ধন্যবাদ

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *